
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৭ আগস্ট এক চিঠির মাধ্যমে এ অনুমোদন দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ব্যাংকটির প্রস্তাবিত রূপান্তর কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিচালিত হবে। পাশাপাশি এক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য শর্ত ও বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত এসব শর্ত যথাযথভাবে পালন নিশ্চিত করতে এনসিসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।
২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, সারা দেশে এনসিসি ব্যাংকের ১৩২টি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে ৩২টি শাখায় ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডো চালু করা হয়েছে। এছাড়া মুরাদপুর, ঠাকুরগাঁও ও ফেনীতে তিনটি শাখায় পূর্ণাঙ্গ ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালু করা হয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ আগামীতে ব্যাংকটিকে পুরোপুরি শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে রূপান্তরিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নীতিগতভাবের অনুমোদন করে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৩৯ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২১ শতাংশ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে এনসিসি ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৭ পয়সায়।