→ পেনিনসুলার প্রয়াত উদ্যোক্তার স্ত্রীর নামে ৮৯,০৩,০১৬টি শেয়ার হস্তান্তর→ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পতনে লেনদেন ৭২৭ কোটি টাকা→ শরিয়াভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে আইপিডিসি→ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৬৩,৮৯,৭২৪টি শেয়ার কিনবে আর্টিস্টিক ডিজাইন→ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দরপতনের শীর্ষে আমরা নেটওয়ার্কস
No icon

ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় আলাদা মন্ত্রণালয় প্রয়োজন : ক্যাব

শামসুল আলম বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মূলত ব্যবসাবান্ধব প্রতিষ্ঠান। তারা ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা তৈরি করবে। এতে করে পণ্যের দাম ও মান ন্যায্য ও যৌক্তিক হবে। কিন্তু তাদের ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব দিলে তারা সীমাবদ্ধতার শিকার। যেটা আমরা ই-কমার্সের ক্ষেত্রে দেখেছি। ই-কমার্সে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা মানিলন্ডারিং করা হয়েছে। আমরা ভোক্তাদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় চাই।

তিনি বলেন, এমন একটি মন্ত্রণালয় চাই যারা অন্য কোনো মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রভাবিত হবে না, ভোক্তাদের স্বার্থ-সুরক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দেবে না, সাপ্লাই চেনের সব জায়গায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাদের সমানভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। এছাড়া ভোক্তাদের সেখানে ক্ষমতায়ন থাকতে হবে। আমরা চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমদানি পর্যায়ের তথ্য পাই না। সেটি পেলে আমরা সাপ্লাই চেনের তথ্য অ্যানালাইসিস করতে পারতাম।  সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান।

তিনি বলেন, গুটিকয়েক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও কার্টেলের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সরকারকে খাদ্য বিভাগ, টিসিবির মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিত্যপণ্য সরবরাহ ও বিক্রির ব্যবস্থা গ্রহণ, মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টানায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারের ব্যবসা থেকে দূরে থাকার নীতিতে জনস্বার্থ রক্ষিত হচ্ছে না। 

তিনি আরো বলেন, ভারত সরকার নব্বইয়ের দশকে ভোক্তাস্বার্থ দেখার জন্য ‘মিনিস্ট্রি অব কনজ্যুমার অ্যাফেয়ার ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন’ নামে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশেও ‘ভোক্তাবান্ধব, জনবান্ধব’ নীতি গ্রহণ সময়ের দাবি। বাণিজ্য সম্পর্কিত আলাদা বিভাগ, বাণিজ্য নীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, বাণিজ্যিক ইত্যাদি বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর অর্পিত চিরাচরিত দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান ক্যাব সভাপতি।

ভোক্তা অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি মো. আবুল হোসেন মিয়া বলেন, বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম একবার বাড়লে আর কমতে চায় না। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ ভোক্তারা। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে ভোক্তাদের সচেতন হতে হবে। এ দেশের ভোক্তারা সচেতন হলে তারা কখনো প্রতারিত হবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভুঁইয়া, ক্যাব ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম শামস এ খান প্রমুখ।