কর সংস্কারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ করজাল সম্প্রসারণ এবং কর ব্যবস্থাকে আধুনিক করার জন্য এসব সংস্কার প্রয়োজন। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে করদাতাদের হয়রানি, জটিলতা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা দূর করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
বিশেষ করে লাখো নতুন টিআইএনধারী
কর ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক জবাবদিহিতার সঙ্গে যুক্ত করারও চেষ্টা দেখা যাচ্ছে এবারের বাজেটে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাইলে প্রার্থীকে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে।
এর ফলে জনপ্রতিনিধিদের কর প্রদানের সংস্কৃতি
রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে সারা বছর
আয়কর ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে সারা বছর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ চালু করা হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা বিশেষ প্রণোদনা পাবেন।
বাজেট প্রস্তাব অনুসারে, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে
কনটেন্ট তৈরি ও ফ্রিল্যান্সারদের ভ্যাট
কনটেন্ট তৈরিতে কর মওকুফের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সম্পূর্ণ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের লাখ লাখ তরুণ ডিজিটাল
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, বাজেটের আকার ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়, যার সিংহভাগ অর্থাৎ প্রায় ৮৬ শতাংশ আহরণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
বৃহস্পতিবার ঘোষিত বাজেট ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার করমুক্ত
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১১ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।
যেসব মোটরসাইকেল থাকতে পারে কর আওতার বাইরে - দেশে প্রথমবারের মতো মোটরসাইকেলকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে প্রস্তাবিত নতুন ব্যবস্থায় ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল করমুক্ত রাখার চিন্তা করা হচ্ছে, যা স্বস্তি এনে দিতে
চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) শুরুতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল চার লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের মাঝপথে আরো ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার







