→ পেনিনসুলার প্রয়াত উদ্যোক্তার স্ত্রীর নামে ৮৯,০৩,০১৬টি শেয়ার হস্তান্তর→ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পতনে লেনদেন ৭২৭ কোটি টাকা→ শরিয়াভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে আইপিডিসি→ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৬৩,৮৯,৭২৪টি শেয়ার কিনবে আর্টিস্টিক ডিজাইন→ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দরপতনের শীর্ষে আমরা নেটওয়ার্কস
No icon

সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন বাস্তবতা

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা করের নতুন নিয়ম। বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্দিষ্ট হারে কর কেটে রাখা হয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটিই চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হয়। অর্থাৎ অতিরিক্ত কর কাটা হলেও তা ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না।

নতুন ব্যবস্থায় উৎসে কেটে রাখা করকে অগ্রিম কর হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থবছর শেষে করদাতা রিটার্ন জমা দিয়ে তাঁর প্রকৃত কর দায় নির্ধারণ করবেন। যদি দেখা যায় যে কেটে রাখা করের পরিমাণ প্রকৃত করের চেয়ে বেশি, তাহলে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে।

প্রথম দৃষ্টিতে এটি করদাতাদের জন্য ইতিবাচক উদ্যোগ মনে হলেও বাস্তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন শর্ত। কর ফেরত পেতে হলে অবশ্যই টিআইএন থাকতে হবে এবং রিটার্ন জমা দিতে হবে।

ফলে এতদিন যারা করযোগ্য আয়ের বাইরে থাকার কারণে টিআইএন নেননি, তারাও কর প্রশাসনের আওতায় আসতে বাধ্য হবেন।

মধ্যবিত্তের ওপর বাড়বে চাপ?

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকার কম সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। এদের বড় অংশই অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, গৃহিণী, ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারী ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য। অনেকেরই করযোগ্য আয় নেই। ফলে তারা কখনো টিআইএন নেননি কিংবা রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।

কিন্তু এখন যদি তারা মুনাফা থেকে কেটে রাখা কর ফেরত পেতে চান, তাহলে টিআইএন নিতে হবে, রিটার্ন দাখিল করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ কর ফেরতের আবেদন করতে হবে।

কর বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে করদাতার সংখ্যা বাড়বে ঠিকই, তবে একই সঙ্গে কর প্রশাসনের ওপরও চাপ বাড়বে। কারণ লাখো নতুন করদাতার রিটার্ন গ্রহণ, যাচাই এবং কর ফেরতের আবেদন নিষ্পত্তি করা সহজ কাজ নয়।