→ পেনিনসুলার প্রয়াত উদ্যোক্তার স্ত্রীর নামে ৮৯,০৩,০১৬টি শেয়ার হস্তান্তর→ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পতনে লেনদেন ৭২৭ কোটি টাকা→ শরিয়াভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে আইপিডিসি→ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৬৩,৮৯,৭২৪টি শেয়ার কিনবে আর্টিস্টিক ডিজাইন→ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দরপতনের শীর্ষে আমরা নেটওয়ার্কস
No icon

কেন অর্থবছর থেকে পরিবর্তনের চিন্তা সরকারের

অনেক বছর ধরেই বিশেষজ্ঞ ও ঠিকাদাররা জুলাই-জুন অর্থবছর পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়ে আসছেন। অর্থবছরের শেষ সময়ে, বিশেষ করে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের আবহাওয়া উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অনুকূলে থাকে না। এ সময় সাধারণত বৃষ্টি হয়। জুনে বরাদ্দের অর্থ ব্যয় করতে গিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে তড়িঘড়ি, নিম্নমানের কাজ এবং অর্থের অপচয়ের ঘটনা ঘটে। 

বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমের সঙ্গে অর্থবছরের শেষ তিন মাসের বড় একটি অংশ মিলে যাওয়ায় সড়ক, সেতু, পানি উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হয়।

অর্থবছরের শেষদিকে কাজ শেষ করার চাপ থাকলেও অনেক এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত ও জলাবদ্ধতার কারণে নির্মাণকাজ করা সম্ভব হয় না। অর্থবছর এপ্রিল-মার্চ করা হলে শেষ তিন মাস পড়বে জানুয়ারি থেকে মার্চে। এতে অন্তত বর্ষাকালকে অর্থবছরের একেবারে শেষ প্রান্ত থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা, দরপত্র, কাজ বাস্তবায়ন ও বিল পরিশোধের সময়সূচি নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ তৈরি হবে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন আলোচনায়ও জুলাই-জুনের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ বা জানুয়ারি-ডিসেম্বর অর্থবছর করার পক্ষে যুক্তি হিসেবে অর্থবছরের শেষদিকে তড়িঘড়ি করে সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা কমানোর বিষয়টি উঠে এসেছে।